কান্তজিউ মন্দির, দিনাজপুর

বাংলাদেশের টেরাকোটা স্থাপত্যের এক নামী উদাহরণ। দেবতা কৃষ্ণ ও রুক্মিণী।

শেষ যাচাই: · 1 সূত্র

কোথায়

মন্দিরটি রংপুর বিভাগের দিনাজপুর জেলার কান্তনগরে, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রায় ১২ কিলোমিটার দূরে। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

ইতিহাস

মহারাজা প্রাণনাথ ১৭০৪ সালে নির্মাণ শুরু করেন, তাঁর ছেলে রাজা রামনাথ ১৭৫২ সালে শেষ করেন। উইকিপিডিয়ার তথ্যছকে সমাপ্তির বছর ১৭২২ লেখা, যা লেখাটির মূল অংশের সঙ্গে মেলে না। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

মন্দিরে কৃষ্ণ (কান্তজিউ) ও তাঁর স্ত্রী রুক্মিণীর পুজো হয়। বাংলার রুক্মিণী-কৃষ্ণ ভক্তদের কাছে এটি বিশেষ জনপ্রিয়। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

স্থাপত্য ও টেরাকোটা

এটি নবরত্ন বা নয় চূড়ার মন্দির। স্থাপত্যে আছে বহু খাঁজের খিলান, অষ্টভুজ ড্রামের উপর গম্বুজ আর কোণের মিনার। ১৮৯৭ সালের ভূমিকম্পে নয়টি চূড়াই ভেঙে যায়। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

বাংলাদেশের টেরাকোটা স্থাপত্যের উদাহরণ হিসেবে এটি পরিচিত। প্রবেশপথের কাছের থামে আর বাইরের দেয়ালে টেরাকোটার নকশা আছে। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

রাস মেলা

উইকিপিডিয়া এই মন্দিরের উৎসব হিসেবে রাস মেলার নাম করেছে। মেলার তারিখ বা আয়োজনের বিবরণ সেখানে নেই। (সূত্র: Wikipedia, Kantajew Temple)

💡 রাস মেলার সময় আর মন্দিরে ঢোকার নিয়ম আমরা কোনও সূত্রে পাইনি, তাই যাওয়ার আগে স্থানীয়ভাবে জেনে নাও।

💡 টেরাকোটার নকশা কাছ থেকে দেখো, তবে হাত দিয়ে ছুঁয়ো না, ওগুলো পুরোনো আর ভঙ্গুর।

প্রশ্নোত্তর

কান্তজিউ মন্দির কোথায়
বাংলাদেশের দিনাজপুর জেলার কান্তনগরে।
কান্তজিউ মন্দির কে তৈরি করেছিলেন
মহারাজা প্রাণনাথ ১৭০৪ সালে শুরু করেন, রাজা রামনাথ ১৭৫২ সালে শেষ করেন।
কান্তজিউ মন্দিরের দেবতা কে
কৃষ্ণ (কান্তজিউ) ও রুক্মিণী।

পুঠিয়া মন্দির চত্বরঢাকেশ্বরী মন্দিরবাংলাদেশে শ্যামাপুজোক্যালেন্ডার ২০২৭

আরও গল্প

সূত্র