বিষ্ণুপুরের টেরাকোটা মন্দির, বাঁকুড়া

বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর প্রায় হাজার বছর মল্ল রাজাদের রাজধানী ছিল। শহরের ইটের মন্দিরগুলোর গায়ে পোড়ামাটির নকশা।

শেষ যাচাই: · 1 সূত্র

মল্ল রাজাদের বিষ্ণুপুর

ধরা হয় শহরটি প্রায় ৯৯৭ সালে জগৎ মল্ল গড়েছিলেন, নাম বিষ্ণু দেবতার নামে। প্রায় হাজার বছর এটি মল্লভূমের মল্ল রাজাদের রাজধানী ছিল। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

মল্ল রাজারা বৈষ্ণব ছিলেন এবং শহরের বেশিরভাগ টেরাকোটা মন্দির তাঁরাই করান। বীর হাম্বির এবং তাঁর উত্তরসূরি রঘুনাথ সিংহ দেব ও বীর সিংহ দেব বিষ্ণুপুরকে বাংলার বড় সাংস্কৃতিক কেন্দ্র করে তোলেন। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

টেরাকোটার মন্দির

মন্দিরগুলো ল্যাটারাইট আর ইটে গড়া, গায়ে মহাভারতের দৃশ্য আঁকা পোড়ামাটির ফলক। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

রাসমঞ্চকে সবচেয়ে পুরোনো ইটের মন্দির বলা হয়, তবে সাল দেওয়া নেই। শ্যামরায় মন্দির প্রায় ১৬৪৩, জোড়বাংলা (কেষ্ট রায়) প্রায় ১৬৫৫, কালাচাঁদ প্রায় ১৬৫৬, মদনমোহন প্রায় ১৬৯৪, রাধা-গোবিন্দ প্রায় ১৭২৯ ও রাধামাধব প্রায় ১৭৩৭ সালের। জোড়মন্দির চত্বর প্রায় ১৭২৬ সালের। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

একটি ছবির ক্যাপশনে জোড়বাংলাকে ষোড়শ শতকের বলা আছে, আরেকটিতে প্রায় ১৬৫৫। উইকিপিডিয়ার মধ্যেই তারিখ মেলে না, তাই সাল নিয়ে নিশ্চিত হতে চাইলে প্রত্নতাত্ত্বিক সূত্র দেখো। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

হস্তশিল্প: টেরাকোটা ও বালুচরি

বিষ্ণুপুরে এখনও পোড়ামাটির কাজ হয়: ঘোড়া, হাতি, গণেশ, নটরাজ আর নানা মাটির বাসন। কারিগররা দলমাদল কামানের ছোট প্রতিরূপও গড়েন। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

বিষ্ণুপুর বালুচরি শাড়ির জন্যও বিখ্যাত। জ্যাকোয়ার্ড পাঞ্চ-কার্ডের তাঁতে বোনা এই শাড়ির পাড় ও আঁচলে রামায়ণ-মহাভারতের নকশা থাকে। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

বিশ্ব ঐতিহ্যের পথে

১৯৯৭ সালে বিষ্ণুপুরের মন্দিরগুলো ইউনেস্কোর সাময়িক তালিকায় ওঠে। এটি বিশ্ব ঐতিহ্যের মনোনয়নের আগের ধাপ মাত্র। (সূত্র: Wikipedia, Bishnupur, Bankura)

💡 টেরাকোটার নকশা ভালো দেখতে হলে দিনের আলোয় ঘুরো, আর মন্দিরের গা ছুঁয়ে নষ্ট কোরো না।

💡 টিকিট, খোলার সময় বা যাতায়াতের তথ্য আমরা কোনও সরকারি সূত্রে পাইনি, যাওয়ার আগে নিজে মিলিয়ে নাও।

প্রশ্নোত্তর

বিষ্ণুপুরের মন্দিরের ইতিহাস
শহরটি মল্ল রাজাদের রাজধানী ছিল। বৈষ্ণব মল্ল রাজারা বেশিরভাগ টেরাকোটা মন্দির করান, যার অনেকগুলো সপ্তদশ-অষ্টাদশ শতকের।
বিষ্ণুপুরে কী কী মন্দির দেখার আছে
রাসমঞ্চ, জোড়বাংলা, শ্যামরায়, মদনমোহন, কালাচাঁদ, রাধা-গোবিন্দ ও রাধামাধব মন্দির।
বিষ্ণুপুর কীসের জন্য বিখ্যাত
পোড়ামাটির মন্দির, টেরাকোটার হস্তশিল্প, বালুচরি শাড়ি আর দলমাদল কামান।

তারকেশ্বর মন্দিরহংসেশ্বরী মন্দিরপৌষ মেলারাস পূর্ণিমা ২০২৭ক্যালেন্ডার ২০২৭

আরও গল্প

সূত্র