হংসেশ্বরী মন্দির, বাঁশবেড়িয়া

হুগলির বাঁশবেড়িয়ায় তেরোটি পদ্মকোরকের মতো চূড়ার এই মন্দির দক্ষিণা কালীর এক রূপের।

শেষ যাচাই: · 1 সূত্র

মন্দির ও দেবী

হংসেশ্বরী মন্দির পশ্চিমবঙ্গের হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়ায়, বাংলার রত্ন-রীতির মন্দির। দেবী হংসেশ্বরী, আদ্যাশক্তি জগজ্জননী দক্ষিণা কালীর এক রূপ। মন্দিরের নাম রাজা নৃসিংহদেব রায়ের মা রানি হংসেশ্বরীর নামে। (সূত্র: Wikipedia, Hangseshwari Temple)

কে গড়লেন, কবে

রাজা নৃসিংহদেব রায় মহাশয় ১৭৯৯ সালের ডিসেম্বরে ভিত্তিপ্রস্তর বসান। ১৮০২ সালে দোতলা শেষ হলে তিনি মারা যান। তাঁর বিধবা রানি শঙ্করী ১৮১৪ সালে মন্দির সম্পূর্ণ করেন। (সূত্র: Wikipedia, Hangseshwari Temple)

স্থাপত্য

মন্দিরে তেরোটি মিনার বা রত্ন আছে, প্রতিটি ফোটা পদ্মকুঁড়ির মতো গড়া। সর্বোচ্চ উচ্চতা প্রায় ৭০ মিটার (২৩০ ফুট) বলে লেখা আছে। (সূত্র: Wikipedia, Hangseshwari Temple)

নকশাকে তান্ত্রিক ষট্চক্রভেদের প্রতিরূপ বলা হয়, পাঁচতলা কাঠামোর সঙ্গে মানবদেহের বিভিন্ন অংশের যোগ ধরা হয়। (সূত্র: Wikipedia, Hangseshwari Temple)

আশপাশে ও উৎসব

চত্বরে অনন্ত বাসুদেব মন্দির আছে, আর কাছেই ১৭৮৮ সালে গড়া স্বনভাব কালী মন্দির। প্রধান উৎসব কালীপুজো। (সূত্র: Wikipedia, Hangseshwari Temple)

💡 কালীপুজোর সময় ভিড় হয়, তাই হাতে সময় নিয়ে যাও।

💡 দর্শনের সময় আর যাতায়াতের তথ্য আমরা কোনও সরকারি সূত্রে পাইনি, আগে জেনে নাও।

প্রশ্নোত্তর

হংসেশ্বরী মন্দির কোথায়
হুগলি জেলার বাঁশবেড়িয়ায়।
হংসেশ্বরী মন্দির কে তৈরি করেন
রাজা নৃসিংহদেব রায় ১৭৯৯ সালে শুরু করেন, রানি শঙ্করী ১৮১৪ সালে শেষ করেন।
হংসেশ্বরী মন্দিরের স্থাপত্য
তেরোটি পদ্মকুঁড়ির মতো রত্ন বা মিনার, পাঁচতলা কাঠামো, উচ্চতা প্রায় ৭০ মিটার।

কালীপুজো ২০২৭তারাপীঠঠনঠনিয়া কালীবাড়িতারকেশ্বর মন্দিরক্যালেন্ডার ২০২৭

আরও গল্প

সূত্র