বক্রেশ্বর ও কঙ্কালীতলা, বীরভূম

বীরভূমে দুটি পরিচিত তীর্থ: উষ্ণ প্রস্রবণ আর শিবমন্দিরের বক্রেশ্বর, এবং সতীর কোমর পড়েছিল বলে ঐতিহ্যের কঙ্কালীতলা।

শেষ যাচাই: · 2 সূত্র

বক্রেশ্বর কোথায়

বক্রেশ্বর বীরভূম জেলার সিউড়ি সদর মহকুমায় দুবরাজপুর ব্লকের একটি গ্রাম। কাছের রেলস্টেশন দুবরাজপুর (সিউড়ি)। (সূত্র: Wikipedia, Bakreshwar)

উষ্ণ প্রস্রবণ ও শিবমন্দির

বক্রেশ্বরে দশটি উষ্ণ প্রস্রবণ আছে। উইকিপিডিয়ায় তাপমাত্রা দেওয়া নেই, তাই আমরাও লিখছি না। (সূত্র: Wikipedia, Bakreshwar)

শহরের নাম এসেছে এখানে পূজিত শিব বক্রেশ্বরের নাম থেকে। বক্রেশ্বর মন্দির চারটি মন্দিরের একটি। (সূত্র: Wikipedia, Bakreshwar)

কিংবদন্তি, ইন্দ্রের অপমানে মুনি সুব্রতর শরীরের আটটি অঙ্গ বেঁকে যায়, সেই থেকে তিনি অষ্টাবক্র। দীর্ঘ তপস্যার পর শিব এখানে তাঁকে আশীর্বাদ করেন। (সূত্র: Wikipedia, Bakreshwar)

বক্রেশ্বরের শক্তিপীঠ

বক্রেশ্বর ৫১ শাক্ত পীঠের একটি, এখানে আদ্যাশক্তির মন্দির আছে। কোন অঙ্গ পড়েছিল তা উইকিপিডিয়ার এই পাতায় বলা নেই। মন্দিরগুলোর তালিকায় মহিষাসুরমর্দিনী মন্দিরের নাম আছে, তবে পীঠের সঙ্গে তার যোগ বলা হয়নি। (সূত্র: Wikipedia, Bakreshwar)

কঙ্কালীতলা

কঙ্কালীতলা বীরভূমের বোলপুর শ্রীনিকেতন ব্লকের মন্দিরশহর, বোলপুর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দূরে, বোলপুর-লাভপুর রাস্তায়, কোপাই নদীর পাড়ে। (সূত্র: Wikipedia, Kankalitala)

কিংবদন্তি অনুযায়ী এখানে সতীর কোমর (বাংলায় কঙ্কাল) পড়েছিল। শক্তি দেবগর্ভা, ভৈরব রুরু। মন্দির চত্বরে কাঞ্চীশ্বর মন্দিরও আছে। (সূত্র: Wikipedia, Kankalitala)

💡 দুটি জায়গা একই দিনে দেখতে চাইলে আগে থেকে যাতায়াতের সময় মিলিয়ে নাও।

💡 খোলার সময়, ভাড়া বা ট্রেনের সময় আমরা কোনও সরকারি সূত্রে পাইনি, আগে জেনে নাও।

প্রশ্নোত্তর

বক্রেশ্বর কোথায়
বীরভূমের দুবরাজপুর ব্লকে, কাছের স্টেশন দুবরাজপুর।
বক্রেশ্বরে কতগুলো উষ্ণ প্রস্রবণ আছে
দশটি।
কঙ্কালীতলা শক্তিপীঠ কোথায়
বোলপুর থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার, কোপাই নদীর পাড়ে। শক্তি দেবগর্ভা, ভৈরব রুরু।
বক্রেশ্বর কঙ্কালীতলা ভ্রমণ
দুটিই বীরভূমে। তাপমাত্রা, সময়সূচি বা ভাড়ার সরকারি তথ্য আমাদের কাছে নেই, আগে মিলিয়ে নাও।

শক্তিপীঠ: পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশতারাপীঠপৌষ মেলা, শান্তিনিকেতনশিবরাত্রি ২০২৭বিষ্ণুপুরের মন্দির

আরও গল্প

সূত্র