কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো: যে জেগে থাকে

দুর্গাপুজোর পর আশ্বিনের পূর্ণিমার রাতে ঘরে ঘরে লক্ষ্মীর আরাধনা। নামটার মধ্যেই আছে পুজোর মূল কথা।

শেষ যাচাই: · 1 সূত্র

কোজাগরী মানে কী

উৎসবটি আশ্বিন মাসের পূর্ণিমায়, বর্ষার শেষে। বাংলা, ত্রিপুরা, অসম আর মিথিলায় এই রাতকে বলে কোজাগরী পূর্ণিমা; বাংলায় কোজাগরী মানে ‘যে জেগে আছে’। (সূত্র: Wikipedia, Kojagari Lakshmi Puja)

কেন জেগে থাকা

বিশ্বাস, লক্ষ্মী এই রাতে ঘরে ঘরে এসে দেখেন কারা জেগে আছে, আর শুধু জেগে থাকাদেরই আশীর্বাদ করেন। নেপালেও হিন্দুরা সারা রাত জেগে লক্ষ্মীর আরাধনা করেন। (সূত্র: Wikipedia, Kojagari Lakshmi Puja)

ভোগ আর উপবাস

দেবতাদের ক্ষীর নিবেদন করা হয়। উত্তর আর মধ্য ভারতে ক্ষীর খোলা ছাদে জ্যোৎস্নায় সারা রাত রেখে পরদিন প্রসাদ হিসেবে খাওয়া হয়; বিশ্বাস, তাতে অমৃত জমে। অনেকে সারা দিন উপবাস করেন। (সূত্র: Wikipedia, Kojagari Lakshmi Puja)

আর কাদের পুজো হয়

লক্ষ্মী সমৃদ্ধির দেবী হিসেবে প্রধান। সঙ্গে রাধাকৃষ্ণ, শিব-পার্বতী, লক্ষ্মীনারায়ণ আর চন্দ্রদেবের পুজোও হয়; কোথাও ইন্দ্র আর তাঁর হাতি ঐরাবতেরও। মন্দিরে দেবতাদের সাধারণত সাদা পোশাক পরানো হয়। (সূত্র: Wikipedia, Kojagari Lakshmi Puja)

💡 তারিখ আর পুজোর সময় পাঁজি দেখে ঠিক করে নিও। জেগে থাকতে চাইলে বাড়ির সবাই মিলে গল্প বা গান নিয়ে বসলে রাত সহজে কাটে।

প্রশ্নোত্তর

কোজাগরী লক্ষ্মীপুজো কী?
আশ্বিনের পূর্ণিমার রাতে লক্ষ্মীর পুজো। কোজাগরী মানে ‘যে জেগে আছে’।
কোজাগরী পূর্ণিমায় কেন জেগে থাকতে হয়?
বিশ্বাস, লক্ষ্মী দেখেন কে জেগে আছে, আর শুধু তাদেরই আশীর্বাদ করেন।
কোজাগরী লক্ষ্মীপুজোয় কী ভোগ দেওয়া হয়?
ক্ষীর নিবেদন করা হয়; অনেক অঞ্চলে তা জ্যোৎস্নায় রেখে পরদিন প্রসাদ হিসেবে খাওয়া হয়।
লক্ষ্মীপুজো ২০২৭ কবে?
তারিখ আর সময় আমাদের লক্ষ্মীপুজো ২০২৭ পাতায় সূত্রসহ দেওয়া আছে।

লক্ষ্মীপুজো ২০২৭পূর্ণিমা ২০২৭কালীপুজো আর দীপাবলিসিঁদুর খেলা

আরও গল্প

সূত্র